গত পোস্টে রাঙ্গামাটি নিয়ে কিছু বলার চেস্টা করেছিলাম, সাথে ছিল রাঙ্গামাটির কিছু ছবি।
আজকে বান্দরবান নিয়ে কিছু বলার চেস্টা করি--------
বান্দরবানে ঘুরার মত স্পট অনেক......তবে কমন স্পট মোট ছয়টি—নীলাচল, মেঘলা, স্বর্ণ মন্দির, চিম্বুক, শৈল প্রপাত আর নীলগিরি। এই ৬ টা স্পটেই লোক বেশি যায়।
বেশ কয়েকভাবেই স্পট গুলোতে যাওয়া যায়। তবে আমার মতে সবচেয়ে সুবিধাজনক হচ্ছে জীপগাড়ী ভাড়া নিয়ে যাওয়া। পাহাড়ী রাস্তার জন্য জীপ বস!!! তবে ভাড়া বেশি লাগবে। এজন্য বান্দরবানে একসাথে বেশি মানুষ যাওয়া সুবিধা, এতে পার পারসন ভাড়া কম পড়ে।
## সী-লেভেল থেকে প্রায় ১০০০ ফুট উচু পাহাড় নীলাচল। ওখানে একটি রিসোর্ট আছে। পকেট গরম থাকলে ওখানে থাকা যায়!! নীলাচলের কিছু ছবি—






##মেঘলা বান্দরবানের অন্য স্পটগুলোর তুলনায় তেমন কিছুই না। এটাকে বান্দরবানের বোটানিক্যাল পার্ক+চিড়িয়াখানা+শিশু পার্ক বলা যায়!!! দেখার তেমন কিছুই নেই, তাই কোন ছবি দিলাম না।

##স্বর্ণ মন্দিরে গিয়ে একটা কাহিনী হয়। এখানে থ্রী কোয়ার্টার প্যান্ট পরে ঢোকা নিষেধ। অথচ আমরা সবাই ছিলাম থ্রী কোয়ার্টার প্যান্ট পরা। শেষে হোটেলে গিয়ে আবার ফুলপ্যান্ট পরে আসি।স্বর্ণ মন্দিরের পুরোটাই সোনালী রং এ আছ্বাদিত। বেশ নয়নাভিরাম।


##শৈল প্রপাত একটি মাঝারী সাইজের জলপ্রপাত। এই সীজনে বেশ পানি থাকে। শুকনো সীজনে কেমন পানি থাকে জানি না।

##চিম্বুকেও দেখার মত কিছুই নাই। তাই কোন ছবিও নাই!!!

##এইবার আসি নীলগিরিতে। সী-লেভেল থেকে প্রায় ২৪০০ ফুট উচু এই পাহাড়টির আসল সৌন্দর্যের বর্ণনা দেয়া আমার কম্ম নয়!! অসাধারন!! নয়নাভিরাম!! কোন কিছু দিয়েই বোঝানো সম্ভব নয়!! যে নিজের চোখে নীলগিরির সৌন্দর্য দেখেনি সে কোনদিনই আসলে বুঝতে পারবে না পাহাড়ের আসল সৌন্দর্য কি জিনিস!! নীলগিরির অপার সৌন্দর্যের সামনে নিজেকে অতি তুচ্ছ, অতি নগন্য মনে হয়!!!





নীলগিরি পাহাড়টা আর্মিদের দখলে। ওখানে তাদের ক্যাম্প এবং রিসোর্ট আছে। এই রিসোর্টে থাকার জন্য কোন একজন বড় আর্মি অফিসারের পারমিশন লাগে। ভাড়াও অনেক বেশি। রিসোর্টে জাস্ট ঘুরতে গিয়েও খুব বেশীক্ষন আপনি থাকতে পারবেন না যদি আপনার আর্মি পারমিশন না থাকে।




এই হল মোটামুটি আমার রাঙ্গামাটি-বান্দরবান ভ্রমণ কাহিনী। ইচ্ছা আছে আবার বান্দরবান যাওয়ার। এর যে সৌন্দর্য তা যদি জীবনে আরো একবার না দেখি তাহলে মরার আগে অনেক আক্ষেপ নিয়ে মরব!!!!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ⓉⓊⓇⓏⓄ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আজকে বান্দরবান নিয়ে কিছু বলার চেস্টা করি--------
বান্দরবানে ঘুরার মত স্পট অনেক......তবে কমন স্পট মোট ছয়টি—নীলাচল, মেঘলা, স্বর্ণ মন্দির, চিম্বুক, শৈল প্রপাত আর নীলগিরি। এই ৬ টা স্পটেই লোক বেশি যায়।
বেশ কয়েকভাবেই স্পট গুলোতে যাওয়া যায়। তবে আমার মতে সবচেয়ে সুবিধাজনক হচ্ছে জীপগাড়ী ভাড়া নিয়ে যাওয়া। পাহাড়ী রাস্তার জন্য জীপ বস!!! তবে ভাড়া বেশি লাগবে। এজন্য বান্দরবানে একসাথে বেশি মানুষ যাওয়া সুবিধা, এতে পার পারসন ভাড়া কম পড়ে।
## সী-লেভেল থেকে প্রায় ১০০০ ফুট উচু পাহাড় নীলাচল। ওখানে একটি রিসোর্ট আছে। পকেট গরম থাকলে ওখানে থাকা যায়!! নীলাচলের কিছু ছবি—
##মেঘলা বান্দরবানের অন্য স্পটগুলোর তুলনায় তেমন কিছুই না। এটাকে বান্দরবানের বোটানিক্যাল পার্ক+চিড়িয়াখানা+শিশু পার্ক বলা যায়!!! দেখার তেমন কিছুই নেই, তাই কোন ছবি দিলাম না।
##স্বর্ণ মন্দিরে গিয়ে একটা কাহিনী হয়। এখানে থ্রী কোয়ার্টার প্যান্ট পরে ঢোকা নিষেধ। অথচ আমরা সবাই ছিলাম থ্রী কোয়ার্টার প্যান্ট পরা। শেষে হোটেলে গিয়ে আবার ফুলপ্যান্ট পরে আসি।স্বর্ণ মন্দিরের পুরোটাই সোনালী রং এ আছ্বাদিত। বেশ নয়নাভিরাম।
##শৈল প্রপাত একটি মাঝারী সাইজের জলপ্রপাত। এই সীজনে বেশ পানি থাকে। শুকনো সীজনে কেমন পানি থাকে জানি না।
##চিম্বুকেও দেখার মত কিছুই নাই। তাই কোন ছবিও নাই!!!
##এইবার আসি নীলগিরিতে। সী-লেভেল থেকে প্রায় ২৪০০ ফুট উচু এই পাহাড়টির আসল সৌন্দর্যের বর্ণনা দেয়া আমার কম্ম নয়!! অসাধারন!! নয়নাভিরাম!! কোন কিছু দিয়েই বোঝানো সম্ভব নয়!! যে নিজের চোখে নীলগিরির সৌন্দর্য দেখেনি সে কোনদিনই আসলে বুঝতে পারবে না পাহাড়ের আসল সৌন্দর্য কি জিনিস!! নীলগিরির অপার সৌন্দর্যের সামনে নিজেকে অতি তুচ্ছ, অতি নগন্য মনে হয়!!!
নীলগিরি পাহাড়টা আর্মিদের দখলে। ওখানে তাদের ক্যাম্প এবং রিসোর্ট আছে। এই রিসোর্টে থাকার জন্য কোন একজন বড় আর্মি অফিসারের পারমিশন লাগে। ভাড়াও অনেক বেশি। রিসোর্টে জাস্ট ঘুরতে গিয়েও খুব বেশীক্ষন আপনি থাকতে পারবেন না যদি আপনার আর্মি পারমিশন না থাকে।
এই হল মোটামুটি আমার রাঙ্গামাটি-বান্দরবান ভ্রমণ কাহিনী। ইচ্ছা আছে আবার বান্দরবান যাওয়ার। এর যে সৌন্দর্য তা যদি জীবনে আরো একবার না দেখি তাহলে মরার আগে অনেক আক্ষেপ নিয়ে মরব!!!!
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ⓉⓊⓇⓏⓄ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন